হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের দেখা পেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল
- Update Time : 07:10:23 am, Saturday, 20 June 2026
- / 31 Time View

মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জিততে না পেরে ড্র করা ব্রাজিল খেলেছিল কিছুটা ছন্দহীন ফুটবল। সেই ম্যাচের পর সমালোচনার মুখে পড়া কার্লো আনচেলত্তির দল দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ম্যাথিউস কুনিয়া ও ভিনিসিউস জুনিয়রের নৈপুণ্যে তারা পেয়েছে বড় জয়।
ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলে হারিয়েছে হাইতিকে। তিনটি গোলই এসেছে প্রথমার্ধে। কুনিয়া করেছেন দুটি গোল, আর ভিনিসিউস পেয়েছেন বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় গোল। এছাড়া বাকি দুই গোলেও ভূমিকা ছিল রিয়াল মাদ্রিদ তারকার।
হাইতির বিপক্ষে জয় ছিল প্রত্যাশিত। দশ বছর আগে দুই দলের সর্বশেষ দেখায় ব্রাজিল জিতেছিল ৭-১ গোলে। শক্তির পার্থক্য তাই স্পষ্ট ছিল। তবে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের পর ব্রাজিলের মিডফিল্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সেই প্রেক্ষাপটে হাইতির বিপক্ষে নিজেদের ছন্দে ফেরা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ব্রাজিল সেটিই করতে পেরেছে, যদিও আরও বেশি গোল না পাওয়ার আক্ষেপ থাকতে পারে।
এদিন ব্রাজিলের নাম্বার নাইন পজিশন নিয়ে আলোচনা কমেছে। আগের ম্যাচে ইগোর থিয়াগোর বদলে সুযোগ পান ম্যাথিউস কুনিয়া। তিনি শুধু আক্রমণভাগেই নয়, নিচে নেমে বল তৈরির কাজও করেছেন, যা মিডফিল্ডকে সহায়তা করেছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা ব্রাজিল ১৩ মিনিটে বল জালে পাঠিয়েছিল। ডান প্রান্ত থেকে তৈরি আক্রমণে রাফিনিয়া গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। কিছুক্ষণ পর আরেকটি সুযোগও নষ্ট করেন তিনি।
এরপর আসে প্রথম গোল। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে ভিনিসিউস বক্সে ঢুকে শট নেন। ফিরতি বলে জটলার মধ্যে থেকে কুনিয়া বল জালে পাঠান।
৩৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কুনিয়া। নিজেদের অর্ধ থেকে বল কেড়ে আক্রমণ শুরু করেন ডগলাস সান্তোস। ভিনিসিউসের মাধ্যমে বল পৌঁছে যায় কুনিয়ার কাছে। দ্রুতগতিতে এগিয়ে গিয়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন তিনি।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লুকাস পাকেতা ডিফেন্স লাইনের ওপর দিয়ে বল বাড়িয়ে দেন। সেটির সুবিধা নিয়ে বাম দিক দিয়ে এগিয়ে চিপ শটে গোল করেন ভিনিসিউস। তখনই ম্যাচের ফল অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়।
বিরতির পর খেলার গতি কিছুটা কমে যায়। ব্রাজিল আক্রমণ গঠনে সময় নেয়, ফলে স্পষ্ট সুযোগ কম তৈরি হয়। ৬৩ মিনিটে হাইতি গোলের সুযোগ পায়। কর্নার থেকে বল পেয়ে এদে হেড নিলে কাছ থেকে দারুণ সেভ করেন আলিসন। পরে দানিলো বল ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন।
এরপর কুনিয়ার বদলে এন্দ্রিক এবং পাকেতার বদলে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিকে নামান আনচেলত্তি।
মাঠে নেমে এন্দ্রিক বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। ম্যাচের শেষ দিকে ভিনিসিউসকে তুলে নেন কোচ।
শেষ মুহূর্তে দানিলো সান্তোস লক্ষ্যভ্রষ্ট হন। বদলি এদেরসনও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সেলেসাওরা।
























