মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহার করে যারা বিভিন্ন সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের শনাক্তে সরকার ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। তিনি বলেন, তদন্তে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার, ৮ জুলাই জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের উত্থাপিত এক জরুরি নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
নোটিশে আখতার হোসেন দাবি করেন, গত দেড় দশকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, এসব নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি অংশ বর্তমানে রাষ্ট্রবিরোধী নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পাওয়া ৯০ হাজার ৫২৭ জনের সনদ যাচাইয়ের পর এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার সনদে জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে।
আহমেদ আজম খান বলেন, সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই প্রতারণার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের উত্তরসূরি পরিচয়ে রাষ্ট্রীয় সুবিধা কিংবা সরকারি চাকরি গ্রহণকারীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র : দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস
Publisher: Mustakim Nibir
Copyright © 2026 The Times OF Dhaka. All rights reserved.