শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে পেলেটবিদ্ধ শিক্ষার্থী সাহিল লোছাবকে পাশে নিয়ে তিনি দাবি করেন, সরকার এ বিষয়ে সত্য গোপন করছে।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে পেলেটবিদ্ধ শিক্ষার্থী সাহিল লোছাবকে পাশে নিয়ে তিনি দাবি করেন, সরকার এ বিষয়ে সত্য গোপন করছে।
গত ২০ জুলাই দিল্লিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশি অভিযানে পেলেট গান ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তবে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সরকার শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। যদিও আহত বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী চিকিৎসা প্রতিবেদনে পেলেট আঘাতের প্রমাণ পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
১৯ বছর বয়সী সাহিল লোছাব দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওপেন লার্নিংয়ের (এসওএল) শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগ অনুযায়ী, বিক্ষোভে জাতীয় পতাকা হাতে অংশ নেওয়ার সময় তিনি পেলেটের আঘাতে গুরুতর আহত হন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর নাজাফগড়ের বাসিন্দা সাহিল পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার সঙ্গে গাড়ি চালিয়ে পরিবারের আর্থিক সহায়তা করতেন। তার স্বপ্ন ছিল দিল্লি পুলিশে যোগ দেওয়া। তিনি হেড কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং স্টাফ সিলেকশন কমিশনের (এসএসসি-সিজিএল) গ্রুপ-বি ও গ্রুপ-সি পরীক্ষাতেও অংশ নিয়েছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, সাহিলের মতো হাজারো শিক্ষার্থীকে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার কারণে মারধর ও হামলার শিকার হতে হয়েছে। তাদের অপরাধ কী ছিল? প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায়ীদের শাস্তির দাবি জানানো?
তিনি আরও বলেন, যারা শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও গুলি চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং এই ঘটনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভুক্তভোগীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন রাহুল গান্ধী। তার ভাষায়, যিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দায়িত্বে আছেন, তাকে অপসারণ করতে হবে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।
সূত্র: দ্য হিন্দু
Publisher: Mustakim Nibir
Copyright © 2026 The Times OF Dhaka. All rights reserved.