নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষস্তরের চার দিনের বৈঠক গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। তবে বৈঠক শেষে যৌথ আলোচনার নথিতে স্বাক্ষরের পর দুই বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) এবার যৌথ সাংবাদ সম্মেলন করেননি। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ইতিহাসে এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটল।
কী কী বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে উভয় পক্ষ। পাশাপাশি সমন্বিত টহল আরও জোরদার, সতর্কতা বৃদ্ধি, তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানো এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ প্রচেষ্টা আরও গতিশীল করতে সম্মত হয়েছে বিজিবি-বিএসএফ।
এছাড়া, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধে বৃহত্তর জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও জোর দেওয়া হয়।
সীমান্ত নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন যেকোনো পদক্ষেপের প্রতি জিরো টলারেন্স গ্রহণের যৌথ সংকল্পও পুনর্ব্যক্ত করেছে দুই বাহিনী। উভয় পক্ষই বৈঠকের ফলাফল নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং তা ইতিবাচকভাবে শেষ হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর দুই দেশের মধ্যে ডিজি-স্তরের সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হত। তবে ১৯৯৩ সালে এটিকে বছরে দু’বার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যেখানে উভয় পক্ষ পর্যায়ক্রমে নয়াদিল্লি ও ঢাকায় বৈঠকে অংশ নেয়।
Publisher: Mustakim Nibir
Copyright © 2026 The Times OF Dhaka. All rights reserved.