ভাইরাল ভিডিওর জেরে ক্লোজড সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান.
তদন্তের স্বার্থে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত, এলাকায় চলছে আলোচনা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েছেন সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম খান. এ ঘটনার জেরে তাকে ক্লোজড করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে.
পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে শুক্রবার রাতেই এ আদেশ জারি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা.
গত কয়েকদিন ধরে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খানকে নিয়ে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়. ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই নানা ধরনের মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে.
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশের ভাবমূর্তির কথা বিবেচনা করে তদন্তের স্বার্থে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তারা.
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, "ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে.তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওসি শফিকুল ইসলাম খান থানার দায়িত্বে থাকবেন না.তাকে আপাতত জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রাখা হয়েছে.
তিনি আরও বলেন, "অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা যাবে না.তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে.
ওসি ক্লোজড হওয়ার খবরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাজুড়ে আলোচনা চলছে.কেউ কেউ বলছেন দ্রুত তদন্ত করে বিষয়টির সুরাহা হওয়া দরকার. আবার অনেকে পুলিশ প্রশাসনের এই দ্রুত সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন.
এলাকার এক গণ্যমান্য ব্যক্তি বলেন, "থানার দায়িত্বে যিনিই থাকুক, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও সেবা যেন ব্যাহত না হয় সেটাই আমরা চাই.
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কিছু জানানো হয়নি.তবে শিগগিরই নতুন ওসি যোগদান করবেন বলে সূত্র জানিয়েছে.
পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান.
আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, যাচাই-সাপেক্ষ ও নিরপেক্ষ ভাষায় একটি সংবাদ প্রতিবেদন নিচে দেওয়া হলো:
ভাইরাল ভিডিওর জেরে ক্লোজড কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান, পুলিশ লাইনে সংযুক্ত
সিলেট প্রতিনিধি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান-কে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে শুক্রবার রাতে এ আদেশ কার্যকর হয়েছে বলে সিলেট জেলা পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওসি শফিকুল ইসলাম খানকে নিয়ে একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি প্রকাশের পর নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তদন্তের স্বার্থে তাকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভাইরাল ভিডিওটির বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানার দায়িত্ব পালন করবেন না।
তিনি আরও বলেন, "তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে দোষী বলা যাবে না। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিভাগীয় বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ওসি ক্লোজড হওয়ার ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাজুড়ে আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের একাংশ দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। আবার অনেকেই ঘটনাটিতে পুলিশ প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, "থানার দায়িত্বে যিনিই থাকুন না কেন, জনগণের নিরাপত্তা ও সেবার ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ থানার নতুন ওসি হিসেবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে শিগগিরই নতুন একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, ভাইরাল ভিডিওতে যে অভিযোগ বা ইঙ্গিত রয়েছে, তার সত্যতা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
Publisher: Mustakim Nibir
Copyright © 2026 The Times OF Dhaka. All rights reserved.