Dhaka 12:48 am, Wednesday, 8 July 2026

সৌদির কাছে হারার পর থেকে প্রতি ম্যাচের আগে ‘পবিত্র কাঠ’ জ্বালান আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা, এতেই অশুভ দৃষ্টি দূর হয় – বিশ্বাস তাদের

খেলা ডেস্ক
  • Update Time : 04:44:25 am, Tuesday, 7 July 2026
  • / 36 Time View

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে কঠিন লড়াই শেষে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে মাঠের লড়াইয়ের বাইরেও দলটিকে ঘিরে আলোচনায় রয়েছে আরেকটি বিষয়, ‘পালো সান্তো’ নামের একটি বিশেষ আচার, যা খেলোয়াড়দের কাছে সৌভাগ্য ও অশুভ শক্তি থেকে সুরক্ষার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

এই বিশ্বাসের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন দুই ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। বয়সভিত্তিক জাতীয় দল থেকেই তাদের বন্ধুত্বের শুরু। ২০২২ বিশ্বকাপের সময় নাহুয়েল মলিনাকে সঙ্গে নিয়ে তারা গড়ে তোলেন ‘পালো সান্তো’ নামে পরিচিত একটি ছোট্ট গ্রুপ, যা এখন আর্জেন্টিনা দলের পরিচিত সংস্কৃতির অংশ।

এই কাঠ জ্বালিয়ে পরিবেশকে ইতিবাচক রাখা এবং অশুভ প্রভাব দূর করার বিশ্বাস দীর্ঘদিনের। সৌদি আরবের বিপক্ষে ২০২২ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হারের পর থেকেই আর্জেন্টিনা শিবিরে এই রীতি নিয়মিত অনুসরণ করা শুরু হয়। এরপর বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা এবং চলমান আসরেও গুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর একই রীতি পালন করতে দেখা গেছে ফুটবলারদের।

বড় টুর্নামেন্টে ড্রেসিংরুমে ধর্মীয় প্রতীক রাখা থেকে শুরু করে শিরোপা জয়ের পর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ; এসবই দলটির সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিশ্বাস, ঐক্য এবং পারস্পরিক আস্থার এই সংস্কৃতি আর্জেন্টিনা দলকে মানসিকভাবেও শক্তিশালী করে তুলছে বলে মনে করছেন ফুটবল পর্যবেক্ষকরা। বিশ্বকাপের বাকি পথেও সেই বিশ্বাস নিয়েই শিরোপা ধরে রাখার লড়াই চালিয়ে যেতে চায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

Please Share This Post in Your Social Media

সৌদির কাছে হারার পর থেকে প্রতি ম্যাচের আগে ‘পবিত্র কাঠ’ জ্বালান আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা, এতেই অশুভ দৃষ্টি দূর হয় – বিশ্বাস তাদের

Update Time : 04:44:25 am, Tuesday, 7 July 2026

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে কঠিন লড়াই শেষে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে মাঠের লড়াইয়ের বাইরেও দলটিকে ঘিরে আলোচনায় রয়েছে আরেকটি বিষয়, ‘পালো সান্তো’ নামের একটি বিশেষ আচার, যা খেলোয়াড়দের কাছে সৌভাগ্য ও অশুভ শক্তি থেকে সুরক্ষার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

এই বিশ্বাসের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন দুই ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। বয়সভিত্তিক জাতীয় দল থেকেই তাদের বন্ধুত্বের শুরু। ২০২২ বিশ্বকাপের সময় নাহুয়েল মলিনাকে সঙ্গে নিয়ে তারা গড়ে তোলেন ‘পালো সান্তো’ নামে পরিচিত একটি ছোট্ট গ্রুপ, যা এখন আর্জেন্টিনা দলের পরিচিত সংস্কৃতির অংশ।

এই কাঠ জ্বালিয়ে পরিবেশকে ইতিবাচক রাখা এবং অশুভ প্রভাব দূর করার বিশ্বাস দীর্ঘদিনের। সৌদি আরবের বিপক্ষে ২০২২ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হারের পর থেকেই আর্জেন্টিনা শিবিরে এই রীতি নিয়মিত অনুসরণ করা শুরু হয়। এরপর বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা এবং চলমান আসরেও গুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর একই রীতি পালন করতে দেখা গেছে ফুটবলারদের।

বড় টুর্নামেন্টে ড্রেসিংরুমে ধর্মীয় প্রতীক রাখা থেকে শুরু করে শিরোপা জয়ের পর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ; এসবই দলটির সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিশ্বাস, ঐক্য এবং পারস্পরিক আস্থার এই সংস্কৃতি আর্জেন্টিনা দলকে মানসিকভাবেও শক্তিশালী করে তুলছে বলে মনে করছেন ফুটবল পর্যবেক্ষকরা। বিশ্বকাপের বাকি পথেও সেই বিশ্বাস নিয়েই শিরোপা ধরে রাখার লড়াই চালিয়ে যেতে চায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।