Dhaka 2:34 am, Wednesday, 13 May 2026

তৃণমূলের কাছে মুসলিম নিরাপদ ছিল

নাঈম চৌধুরী
  • Update Time : 01:40:21 pm, Sunday, 10 May 2026
  • / 48 Time View

টানা ১৫ বছরের ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অভাবনীয় পালাবদল ঘটেছে। শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হার মানতে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রথমবারের মতো রাজ্যের ক্ষমতায় বসতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
রাজনৈতিক ভূমিকম্পের পর বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি প্রশ্ন—মমতার পতনের পর পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু বা মুসলিম সম্প্রদায়ের রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ আসলে কী হতে চলেছে?
বিজেপির এই বিপুল বিজয় এবং একে সরাসরি হিন্দুত্বের জয় বলে আখ্যা দেওয়ার পর রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়াটা রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে খুবই স্বাভাবিক।
এত দিন যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক রক্ষাকবচ বলে মনে করতেন, তারা এখন এক সম্পূর্ণ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি। নতুন সরকারের অধীনে তাদের নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের চিত্র কেমন হবে, তা নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ও চায়ের দোকানে চলছে বিস্তর জল্পনা ও সমীকরণ মেলানোর চেষ্টা।
তবে রাজনীতির মাঠে শেষ কথা বলে কিছু নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর নতুন সরকার কেবল মেরুকরণের রাজনীতি নিয়ে রাজ্য চালাতে চাইবে না। নির্বাচনের আগে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং নারী ও যুবসমাজের উন্নয়নের যেসব বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দিকেই তাদের মূল নজর দিতে হবে।
এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম সম্প্রদায়কেও নতুন করে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান মূল্যায়ন করতে হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

তৃণমূলের কাছে মুসলিম নিরাপদ ছিল

Update Time : 01:40:21 pm, Sunday, 10 May 2026

টানা ১৫ বছরের ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অভাবনীয় পালাবদল ঘটেছে। শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হার মানতে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রথমবারের মতো রাজ্যের ক্ষমতায় বসতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
রাজনৈতিক ভূমিকম্পের পর বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি প্রশ্ন—মমতার পতনের পর পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু বা মুসলিম সম্প্রদায়ের রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ আসলে কী হতে চলেছে?
বিজেপির এই বিপুল বিজয় এবং একে সরাসরি হিন্দুত্বের জয় বলে আখ্যা দেওয়ার পর রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়াটা রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে খুবই স্বাভাবিক।
এত দিন যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক রক্ষাকবচ বলে মনে করতেন, তারা এখন এক সম্পূর্ণ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি। নতুন সরকারের অধীনে তাদের নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের চিত্র কেমন হবে, তা নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ও চায়ের দোকানে চলছে বিস্তর জল্পনা ও সমীকরণ মেলানোর চেষ্টা।
তবে রাজনীতির মাঠে শেষ কথা বলে কিছু নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর নতুন সরকার কেবল মেরুকরণের রাজনীতি নিয়ে রাজ্য চালাতে চাইবে না। নির্বাচনের আগে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং নারী ও যুবসমাজের উন্নয়নের যেসব বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দিকেই তাদের মূল নজর দিতে হবে।
এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম সম্প্রদায়কেও নতুন করে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান মূল্যায়ন করতে হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।