Dhaka 7:49 pm, Thursday, 23 July 2026

খাল খনন শেষে ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক | কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
  • Update Time : 12:53:31 pm, Thursday, 23 July 2026
  • / 41 Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখনন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের পর অব্যয়িত ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে ২৩ জুলাই ২০২৬ । প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে সার্বিক তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সিনাই নদী ৬ কিলোমিটার পুনঃখননে ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নদীর দুই তীরে ৩ হাজার ২০০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে।

এছাড়া জিয়াখাল ৪ কিলোমিটার পুনঃখননে ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় খালের দুই পাশে ২ হাজার ২০০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন ও তদারকিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলামের পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও), উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও কৃষকরা খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, খালে সারা বছর পানি ধরে রাখা সম্ভব হলে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং কৃষকরা বছরে তিনটি ফসল উৎপাদনের সুযোগ পাবেন। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বচ্ছতা, সাশ্রয়ী ব্যয় এবং জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রমের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

খাল খনন শেষে ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

Update Time : 12:53:31 pm, Thursday, 23 July 2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখনন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের পর অব্যয়িত ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে ২৩ জুলাই ২০২৬ । প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে সার্বিক তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সিনাই নদী ৬ কিলোমিটার পুনঃখননে ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নদীর দুই তীরে ৩ হাজার ২০০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে।

এছাড়া জিয়াখাল ৪ কিলোমিটার পুনঃখননে ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় খালের দুই পাশে ২ হাজার ২০০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন ও তদারকিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলামের পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও), উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও কৃষকরা খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, খালে সারা বছর পানি ধরে রাখা সম্ভব হলে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং কৃষকরা বছরে তিনটি ফসল উৎপাদনের সুযোগ পাবেন। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বচ্ছতা, সাশ্রয়ী ব্যয় এবং জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রমের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।