Dhaka 6:07 pm, Friday, 24 July 2026

চাঁদপুরের ৬৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান

ডেস্ক রিপোর্ট
  • Update Time : 07:30:28 am, Friday, 24 July 2026
  • / 171 Time View

চাঁদপুর জেলার আটটি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার ১ হাজার ১৫৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৪২টিতেই স্থায়ী কোনো প্রধান শিক্ষক নেই। বর্তমানে এসব বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

দীর্ঘ দিন যাবৎ প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো অনেকটা অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষকরাই ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এতে বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ সামলাতে গিয়ে তাদের অনেক বেগ পেতে হচ্ছে।

 

এর ফলে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফলাফল করতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তারা দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার দাবি জানিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি রুটিন অনুযায়ী ক্লাসে মনোনিবেশ করতে পারছেন না।

 

 

এতে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চাঁদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে প্রধান শিক্ষকদের গ্রেডেশন তালিকার কাজ চলমান রয়েছে।

মামলাজনিত কারণে ১৬টি বিদ্যালয়ের পদ সংরক্ষিত থাকায় মূলত ৬২৯টি শূন্য পদ রয়েছে। তবে আগামী তিন মাসের মধ্যে এই শূন্য পদগুলো পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

চাঁদপুরের ৬৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান

Update Time : 07:30:28 am, Friday, 24 July 2026

চাঁদপুর জেলার আটটি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার ১ হাজার ১৫৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৪২টিতেই স্থায়ী কোনো প্রধান শিক্ষক নেই। বর্তমানে এসব বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

দীর্ঘ দিন যাবৎ প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো অনেকটা অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষকরাই ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এতে বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ সামলাতে গিয়ে তাদের অনেক বেগ পেতে হচ্ছে।

 

এর ফলে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফলাফল করতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তারা দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার দাবি জানিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি রুটিন অনুযায়ী ক্লাসে মনোনিবেশ করতে পারছেন না।

 

 

এতে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চাঁদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে প্রধান শিক্ষকদের গ্রেডেশন তালিকার কাজ চলমান রয়েছে।

মামলাজনিত কারণে ১৬টি বিদ্যালয়ের পদ সংরক্ষিত থাকায় মূলত ৬২৯টি শূন্য পদ রয়েছে। তবে আগামী তিন মাসের মধ্যে এই শূন্য পদগুলো পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।