ইউজিসি থেকে ঢাবিতে ১ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ, গবেষণা খাতে বরাদ্দ শূন্য
- Update Time : 05:56:03 am, Tuesday, 30 June 2026
- / 35 Time View

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রস্তাবিত বাজেট ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩৩ কোটি ২১ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে ৯৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব থাকলেও গবেষণা খাতে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সিনেটের বার্ষিক অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে এ তথ্য জানান কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বাজেট উপস্থাপনের সময় তিনি বলেন, পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে গবেষণা খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে গবেষণা খাতে ইউজিসির কোনো বরাদ্দ না থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দুঃখজনক।
বাজেট নিয়ে আলোচনায় ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘আমরা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটের দিকে দেখি ২০২৫-২৬ সেশনে দেওয়া হয়েছিল ৯৭৩ কোটি টাকা ও সেখানে গবেষণায় বরাদ্দ ছিল মাত্র ২ শতাংশ। আর এ বছর জানতে পারলাম বাজেটে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এটা আমাদের কাছে একটা লজ্জার বিষয়। যে বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান অর্জন করবে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দেবে সেখানে কোনো বাজেট বরাদ্দ দিচ্ছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘২৪-২৫ সেশনের বাজেটে গবেষণায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ২০ কোটি ৬০ লাখ টাকা আর বের হয়েছে মাত্র ১৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা। আর এ বছর বাজেটে গবেষণায় বরাদ্দ ছিল ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আর মার্চ পর্যন্ত বের হয়েছে মাত্র ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এর পরবর্তী খরচ কত হয়েছে আমরা সেটা দেখতে পাইনি। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমার জন্য যে বাজেট সেটাই বের করতে পারে না আর আমরা বলছি আমরা বাজেট পাচ্ছি না।’
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় থেকে আসবে ৮৫ কোটি টাকা। এতে অন্তত ৮৩ কোটি ৮৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকার ঘাটতি থাকবে।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শারমিনা নাসরীন বলেন, প্রতিবছর ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতে আলাদা বরাদ্দ দেয়। তবে এ বছর অর্থ মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, গবেষণা বরাদ্দ সমন্বিতভাবে ইউজিসির মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, ‘এটা সরকারি সিদ্ধান্ত। এটা নতুন একটা প্রস্তাব। এটা যদি সরকার সফল হয় তাহলে হয়তো ইউজিসির মাধ্যমে এই বাজেটটা বাস্তবায়িত হবে। আর ব্যর্থ হলে অন্য কোনো সিস্টেম আসবে। কাজেই এই বাকি অংশটুকু এখানে না লিখলে ভুল ব্যাখ্যার আভাস থেকে যায়। কাজেই আমি অনুরোধ করব, যে আপনার এই অংশটিকে সংশোধন করবেন যে এটা সরকারি সিদ্ধান্ত।’
























