Dhaka 11:44 pm, Monday, 25 May 2026

“দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান, তালিকা ধরে চলছে সন্ত্রাস দমন কার্যক্রম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী”

নাঈম চৌধুরী
  • Update Time : 07:38:22 am, Monday, 25 May 2026
  • / 43 Time View

প্রশাসনের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, আসন্ন ঈদুল আযহার ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে শুরু হতে পারে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ বিরোধী সাঁড়াশি অভিযান। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঈদকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতা ঠেকাতেই নেওয়া হচ্ছে এই বিশেষ প্রস্তুতি।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে এ অভিযান। টার্গেটে রাখা হয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসী, চিহ্নিত চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী অপরাধী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা আসামিদের। ইতোমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও তালিকা প্রস্তুতের কাজ শেষ করেছে বলেও জানা গেছে।
দেশজুড়ে তালিকা ধরে শুরু হতে যাওয়া এই সাঁড়াশি অভিযানে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা, মহাসড়ক, পশুর হাট, পরিবহন সেক্টর এবং ব্যবসা কেন্দ্রগুলোতে বাড়ানো হতে পারে নজরদারি। বিশেষ করে ঈদকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি ও আধিপত্য বিস্তার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থাকতে যাচ্ছে প্রশাসন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ কার্যকরের পর অপরাধ দমনে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। নতুন আইনের আওতায় শুধু সন্ত্রাসী নয়, তাদের অর্থদাতা, আশ্রয়দাতা ও সহযোগীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদে ঈদ উদযাপন করতে পারে, সেজন্যই এই বিশেষ অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অপরাধী যেই হোক, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে সম্ভাব্য এই অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধচক্রের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, কঠোর এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে

Please Share This Post in Your Social Media

“দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান, তালিকা ধরে চলছে সন্ত্রাস দমন কার্যক্রম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী”

Update Time : 07:38:22 am, Monday, 25 May 2026

প্রশাসনের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, আসন্ন ঈদুল আযহার ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে শুরু হতে পারে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ বিরোধী সাঁড়াশি অভিযান। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঈদকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতা ঠেকাতেই নেওয়া হচ্ছে এই বিশেষ প্রস্তুতি।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে এ অভিযান। টার্গেটে রাখা হয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসী, চিহ্নিত চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী অপরাধী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা আসামিদের। ইতোমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও তালিকা প্রস্তুতের কাজ শেষ করেছে বলেও জানা গেছে।
দেশজুড়ে তালিকা ধরে শুরু হতে যাওয়া এই সাঁড়াশি অভিযানে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা, মহাসড়ক, পশুর হাট, পরিবহন সেক্টর এবং ব্যবসা কেন্দ্রগুলোতে বাড়ানো হতে পারে নজরদারি। বিশেষ করে ঈদকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি ও আধিপত্য বিস্তার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থাকতে যাচ্ছে প্রশাসন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ কার্যকরের পর অপরাধ দমনে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। নতুন আইনের আওতায় শুধু সন্ত্রাসী নয়, তাদের অর্থদাতা, আশ্রয়দাতা ও সহযোগীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদে ঈদ উদযাপন করতে পারে, সেজন্যই এই বিশেষ অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অপরাধী যেই হোক, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে সম্ভাব্য এই অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধচক্রের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, কঠোর এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে