Dhaka 10:03 pm, Sunday, 19 July 2026

ফ্রান্সের বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক বিভীষিকাময় রাত!

খেলা ডেস্ক
  • Update Time : 03:36:08 am, Sunday, 19 July 2026
  • / 43 Time View

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই চার গোল হজম করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের সবচেয়ে লজ্জাজনক এক অধ্যায়ের সাক্ষী হলো ফ্রান্স। মায়ামিতে বিরতিতে ৪-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে দিদিয়ের দেশঁর দল, যা ৯৪ বছরের বিশ্বকাপ ইতিহাসে ফরাসিদের জন্য প্রথম।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। ডেকলান রাইস প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর কর্নার থেকে জ্যারেল কোয়ানসা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। প্রথমার্ধের শেষদিকে বুকায়ো সাকার জোড়া গোলে বিরতির আগেই ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্স।

এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধেই চার গোল হজম করল ফ্রান্স। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ শুরুর পর থেকে ২০২৬ পর্যন্ত এমন পরিস্থিতিতে কখনও পড়তে হয়নি লে ব্লুদের। ফলে মায়ামির এই রাত ফরাসি ফুটবলের ইতিহাসে এক বিভীষিকাময় স্মৃতি হয়ে রইল।

দুই দলই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নেমেছিল সেমিফাইনালে হারের হতাশা নিয়ে। স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন ভেঙে যায় ফ্রান্সের। অন্যদিকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে নামে ইংল্যান্ড। তবে এই ম্যাচে শুরু থেকেই দুই দলের পারফরম্যান্সে ছিল স্পষ্ট পার্থক্য।

বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের রেকর্ড এখনও ১৯৫৮ সালের সেমিফাইনালের। সেবার ব্রাজিলের কাছে ৫-২ গোলে হেরেছিল তারা। সেই ম্যাচে কিংবদন্তি পেলে হ্যাটট্রিক করে ব্রাজিলকে ফাইনালে তুলেছিলেন। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই চার গোল হজম করায় সেই পরাজয়ের স্মৃতিও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ফ্রান্সের বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক বিভীষিকাময় রাত!

Update Time : 03:36:08 am, Sunday, 19 July 2026

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই চার গোল হজম করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের সবচেয়ে লজ্জাজনক এক অধ্যায়ের সাক্ষী হলো ফ্রান্স। মায়ামিতে বিরতিতে ৪-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে দিদিয়ের দেশঁর দল, যা ৯৪ বছরের বিশ্বকাপ ইতিহাসে ফরাসিদের জন্য প্রথম।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। ডেকলান রাইস প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর কর্নার থেকে জ্যারেল কোয়ানসা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। প্রথমার্ধের শেষদিকে বুকায়ো সাকার জোড়া গোলে বিরতির আগেই ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্স।

এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধেই চার গোল হজম করল ফ্রান্স। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ শুরুর পর থেকে ২০২৬ পর্যন্ত এমন পরিস্থিতিতে কখনও পড়তে হয়নি লে ব্লুদের। ফলে মায়ামির এই রাত ফরাসি ফুটবলের ইতিহাসে এক বিভীষিকাময় স্মৃতি হয়ে রইল।

দুই দলই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নেমেছিল সেমিফাইনালে হারের হতাশা নিয়ে। স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন ভেঙে যায় ফ্রান্সের। অন্যদিকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে নামে ইংল্যান্ড। তবে এই ম্যাচে শুরু থেকেই দুই দলের পারফরম্যান্সে ছিল স্পষ্ট পার্থক্য।

বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের রেকর্ড এখনও ১৯৫৮ সালের সেমিফাইনালের। সেবার ব্রাজিলের কাছে ৫-২ গোলে হেরেছিল তারা। সেই ম্যাচে কিংবদন্তি পেলে হ্যাটট্রিক করে ব্রাজিলকে ফাইনালে তুলেছিলেন। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই চার গোল হজম করায় সেই পরাজয়ের স্মৃতিও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।